মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ্য থাকা প্রয়জন। কিন্তু গত কয়েক দিন যাবত সমগ্র উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার, করনদিঘি, ইসলামপুর, চোপড়ার বিস্তৃণ এলাকা বন্যার কবলে পড়ে। বানভাসি জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ বহু জায়গার বহু মানুষ আজ খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। বেশকিছু জায়গায় সরকারি ভাবে ত্রাণ পেলে এখনো সব জায়গায় ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানা গিয়েছে। এমনি অনেক জায়গা আছে দূর্গম যেখানে এখনো ত্রাণ পৌছানো দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযোগ্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে যাতে সব জায়গায় সব মানুষ ত্রাণ থেকে চিকিৎসা ব্যবস্থার সব রকম সুযোগ পান। বর্তমানে ধীরে ধীরে অনেক জায়গা থেকে জল কমতে থাকলেও এখনো বহু জায়গা জলমগ্ন রযেছে। আর সেই জমা জল থেকে সাধারণ মানুষের যাতে কোনো জ্বর ,ডায়রিয়া সহ অন্য কোন রোগ না দেখা দেয় তার জন্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও পিছিয়ে নেই। তারাও জেলার প্রত্যন্ত দুর্গত এলাকায় ছুটে গিয়ে বন্যা দুর্গত মানুষদের কাছে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে প্রতিনিয়ত খোঁজ খবর নিয়ে তাদের প্রযোজনীয় ওষুধ পত্র দিচ্ছেন। আবার কখনো বা মাইকে প্রচার করছেন এলাকায় গিয়ে।
উত্তর দিনাজপুর জেলার মূখ্য আধিকারিক প্রকাশ মৃধা জানান জেলার বিস্তীর্ণ অংশ বন্যার কবলে। প্রচুর মানুষ আজ অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। প্রতিনিয়ত জেলার বিস্তৃন অঞ্চল গুলিতে গিয়ে ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীরা মানুষদের স্বাস্থের খোঁজ খবর নিয়ে এলাকায় এলাকায় তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ পত্র দিয়ে আসছেন। জেলার স্বাস্থ্য দপ্তর জেলার এই ভয়াবহ বন্যায় যুদ্ধ কালীন মোকাবিলা করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। যাবতীয় ওষুধ নিয়ে তৈরি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। কোন কিছু ঘাটতি নেই বলে জানা গিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে।